বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

দুঃস্বপ্নের ঘুন পোকাগুলো ক্রমাগত ডেকে যায়,
নিয়তি আবারও উপহাস করে
খিল খিলিয়ে হেসে উঠে।
যুবক ফের পাড়ি জমায়
ফেলে আসা স্মৃতির শহরে।
অনেক পথ পাড়ি দিয়ে,
ভুল করে কোন এক যুবক এসেছিল এই শহরে,
ক্লান্ত শরীরে, বিষণ্ণ বদনে, যুবক এসে থামে
জীবনের অন্য এক দরজায়।
নির্বাসিত নিপীড়িত ঘাত প্রতিঘাতে জর্জরিত আহত যুবকের,
অতীতের পড়ে থাকা স্মৃতিগুলো,
ফেলে আসে ছেড়ে আসা শহরে ।
নতুন জীবনের হাতছানিতে
পথভুলো যুবক পেয়েছিল
ভালোবাসা নামের অলৌকিক এক পথ।
পুরনো সব সম্পর্ক চুকে দিয়ে
মিলনের স্বপ্নে বিভোর
যুবকের নতুন মূল্যহীন জীবন।
যুবক পেল সঙ্গী,
যে অপেক্ষায় থাকে ভালোবাসার ডালা সাজিয়ে।
যুবক গাঁয়ে মেখে নেয় তাঁর কিছু পরশ।
যুবক ফুল গুনে,
যুবক পাপড়ি গুনে,
যুবক তারা গুনে,
যুবক মেঘ গুনে,
যুবক দিন গুনে, গুনে সকাল বিকাল সন্ধ্যা।
যুবক স্বপ্ন বুনে,
আকাশের মাতাল মেঘগুলো বিজলী দিয়ে যায়।
যুবকের স্বপ্নে মায়াবী শিহরণ,
স্বপ্নকামী মনে সঙ্গী তাঁর স্বপ্ন বাসরে।
ইচ্ছে করে জোনাক পোকার মালা
গলায় পড়ে,
বাসর গড়ি লতা পাতার ছাউনি ঘেরা
ছোট্ট ঘরে।
ইচ্ছে গুলো স্বপ্নের মতো ময়ূর
হয়ে পেখম তুলুক,
রাত্রি বেলায় স্বপ্ন গুলো আঁকড়ে ধরে
গড়ে তুলি ভালবাসার ছোট্ট নিবাস।
ভালবাসার ছোট্ট বসত গড়ে তুলিস,
ছাউনি ভেদে রাত্রি হলে জ্যোৎস্না
যেন চুইয়ে পড়ে।
ইচ্ছে করে নীল আকাশে
ছোট্ট ঘুড়ি হয়ে উড়ে বেড়াই,
নাটাই থাকুক তোর হাতে
দিক বিদিক ছুটে ছুটে ক্লান্ত হয়ে
সন্ধ্যে হলে আসবো ফিরে তোর
ভালবাসার ছোট্ট ঘরে।
মুখোমুখি থাকবো বসে নিয়ন আলোয়
হাতটি রেখে তোরই হাতে।
ইচ্ছে হলে এলো চুলে বিলি কাটিস,
চাঁদের আলো লজ্জা পেয়ে মুখ লুকিয়ে
ঝাপসা হবে।
চোখের পাতা তিরতিরিয়ে কাঁপতে থাকবে,
ঠোঁটের ছোঁয়ায় রাঙ্গিয়ে দিবি
আলতো করে অধর চুমিয়ে।
অনুকরণ নয়, অনুসরণ নয়, নিজেকে খুঁজুন, নিজেকে জানুন, নিজের পথে চলুন॥ ”
_______মোহিত অনু_____
অফিসের কাজের- প্রেসারে, যখন জড়সড় আমি একেবারে
এসো মুখগুঁজবো তোমার বুকের পাজরে আমি আছি ।
অভিমানে আর আবদারে, একান্ত কোনো আদরে
আর ঘুম ভাঙ্গা প্রতিটি প্রহরে আমি আছি ।
আমি আছি দুরে থেকেও কাছাকাছি ।
আমি আছি,আমি আছি
তোমার মিষ্টি হাসির আড়ালে
এদিক ওদিক আনমনে তাকালে
আর টোল পরা বা দিকের গালে
আমি আছি আমি আছি...।।
তোমার চঞ্চল চোখের কাজলে
ওই সুগন্ধি এলোমেলো চুলে
আর ম্যাচকরা কানের দুলে আমি আছি
আমি আছি তোমার খুব কাছাকাছি
পরিপাটি শাড়ির আঁচলে কুচির ভাজগুলো এলোমেলো হলে
যদি বাতাস ঘুর্নিপাক খেলে আমি আছি ।
মাষকারা খুঁজে না পেলে, লিপ লাইনারটা হারালে
দুলের পুশগুলো পালিয়ে বেড়ালে আমি আছি ....
আমি আছি তোমার খুব কাছাকাছি ...
ঘামে ভেজা গরম দুপুরে, তোমার নরম পায়ের নুপুরে
আর অথৈ ভুলের সাগরে আমি আছি
নালিশে ভরা বালিশে, তোমার দু-হাতের নেইল পলিশে
দুঃস্বপ্নের রাত গুলো শেষে আমি আছি ।
প্রতিটি মানুষ ভালবাসাকে লালন পালন করে
তার মনের মসজিদ, মন্দির ও গির্জাতে,
আমি এই প্রেমের গোপন জায়গাটা
জানতে চাই, শুনতে চাই যৌথ পৃথিবীর গল্প
সমগ্র পৃথিবীটা একটি প্রেমের বাগান
যেখানে ভালবাসার জন্ম হয় শূন্য থেকে
আর ছড়িয়ে পরে দুর দূরান্তে।
যেনতেন ভাবে নয়, ভালবাসার বিদ্যাকে
অর্জন করতে হয় অনেক সাধনা করে,
অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে মানুষ
হতে পারে একজন সুযোগ্য প্রেমিক।
প্রেমিক আর প্রেমিকার সম্পর্ক হয় সিমবায়োসিস,
একে অপরকে বুঝতে হয়, জানতে হয়।
তবুও কিছু প্রেমে থাকে দুর্বোধ্য নীরবতা
কিছু অদ্ভুত ধরনের লুকোচুরি,
এখানে একজন অনেক কথাই বলে যান
আর অপর জন থাকেন একদম নিশ্চুপ।
এই প্রেমের ক্ষেত্রে, 'আমি' আর 'তুমি'
শব্দ দুটি একদম উহ্য পরে থাকে।
সাধারণত, এই সম্পর্কগুলো হয় কলমের
কালির মতন, যেটার দাগ সহজে মুছে না;
আর মুছলেও তার ছাপ রয়ে যায় সর্বত্র।
ইচ্ছে হয়, তোমাকে নিয়ে নীল
আকাশে উড়ে বেড়াই
হেঁটে বেড়াই অচেনা গ্রাম্য পথে।
ইচ্ছের ঝুড়িতে বাঁধা পরে,
তোমাকে নিয়ে নদীর জলে খেলা
করার সঁখ, তোমাকে নিয়ে বৃষ্টিতে
ভেঁজার সঁখ অনেক দিনের,

বৃষ্টির জল গুলো হাতের মুঠোয়
নিয়ে দেখবার সঁখ! তা কি তুমি কাছে
থাকার মূহুর্ত গুলোকে মনে আটকে
রাখতে পারবে?
নাকি জলের মতই ঝরে পড়বে অঝর
ধারায়!
ইচ্ছে হয়, তোমাকে নিয়ে জ্যোৎস্না
স্নান করব নিশ্চুপ রাতে
রাতের পথে হেঁটে বেড়াবো তোমার
হাতটি ধরে।
রাতের মিষ্টি প্রহর গুলোকে অনুভব
করব নিজের মাঝে!
আজ সত্যি তোমাকে খুব
বলতে ইচ্ছে করছে,,
ভালোবাসি তোমায় আমি,
তোমার থেকেও
অনেক অনেক অনেক
বেশি!
ভোরের সাথে বিদগ্ধ অনুভূতিগুলোর আলিঙ্গনে
স্বপ্নকামি যুবকটি পরাজিত হয়ে,
সমাজ বিবর্জিত আজ,
একা একা বসে আনমনে
দেখে আকাশের নীল রং।
মনে নেই,
সেই শেষ কবে দেখা হয়েছিলো?
এক বর্ষার সন্ধ্যায়।
ছায়াকে সঙ্গী করে,
রাতের উল্কা,
একাকী ছুটে চলে।
যেখানে শুধু আঁধার আর আঁধার।
ভিজিয়েছিল ভালোবাসার সীমাহীন আবেগে
ভালবাসার আবেদন, আয়োজন,
জোৎস্না দিয়ে মালা গেতে,
চাঁদের পিঠে বাসরের ডালা নিয়ে,
অপেক্ষায় ছিল।